Header Ads Widget

জোর করে জমি কবলা নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা

বিডি.নিউজ
নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানাধীন তেলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবু হোসেন (পিতা: ফুল মামুদ সরকার) একজন চিহ্নিত আওয়ামীলীগের  সন্ত্রাসী ও প্রতারক। আমার বাবা আমিনুর ইসলাম-এর নামে টেপারকুটি মৌজায় জমি রয়েছে। উক্ত জমি ক্রয়ের কথা বলে আজ সকাল আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকার সময় আবু হোসেন আমার বাবাকে মোবাইল ফোনে ডেকে তার বাড়িতে নিয়ে যায় এবং তিনি( আবু হোসেন) আরও বলে সুবলপাড় গিয়ে মিলন মেম্বারকে সঙ্গে নিয়ে জমির দামদর ঠিক করবো।
আমার অটোরিকশায় করে আসতে চাইলে,(তাহারা) পূর্বপরিকল্পিতভাবে, আবু হোসেনসহ মোট ১০/১২ জন ব্যক্তি আমার বাবাকে জোরপূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। অভিযুক্তদের মধ্যে পরিচিত ব্যক্তিরা হলো—

১) আবু হোসেন, পিতা: ফুল মামুদ সরকার

২) আতাউর রহমান, পিতা: জোশন আলী

৩) খাইরুল ইসলাম, পিতা: জোশন আলী

৪) রিয়াজুল ইসলাম, পিতা: অজ্ঞাত
সাং—তেলিপাড়া, আর্মির মোড়, কচাকাটা

৫) মোকলেছুর রহমান

৬) রনি মিয়া, পিতা: অজ্ঞাত 
সাং—নাগেশ্বরী
অপহরণকারী
চিত্র:অপহরণকারীদের মধ্যে দুজন কার ছবি পাওয়া গেছে
 

পাওয়া ছবির মধ্যে অপহরণকারীদ্বয় ১/ আতাউর ২/রিয়াজুল


এছাড়াও আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি উপস্থিত ছিল।
তারা সুবলপাড়ে নামিয়ে দেওয়ার কথা বললেও আমার বাবাকে সেখানে না নামিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ সময় আমার বাবা(আমিনুর ইসলাম)  চিৎকার-চেঁচামেচি করলে অভিযুক্তরা তাকে মাথা, চোখ ও মুখে ঘুষি ও থাপ্পড় মারতে থাকে। একপর্যায়ে বাবা তার শরীরের শক্তি দিয়ে দোস্ত দোস্তি করলে অর্থাৎ  না যেতে চাইলে তারা বলে তোমার আর জমির দরকার নাই তোমার জিন্দেগী এখানেই শেষ করব এ কথা বলে  হত্যার উদ্দেশ্যে গামছা দিয়ে তার গলা ও মুখ চেপে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করার চেষ্টা করে।
এরপর আমার বাবাকে ভূরুঙ্গামারী থানাধীন খয়বর আলীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে প্রায় ২–৩ ঘণ্টা আটকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে জোরপূর্বক তাকে নাগেশ্বরী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নেওয়ার জন্য রওনা দেয়। নাগেশ্বরী–ভূরুঙ্গামারী সড়কে পৌঁছালে আসাদ ও খয়বর আলী নামক দুই ব্যক্তি অতিরিক্ত মারধরের কারণে আমার বাবার গুরুতর শারীরিক অবস্থা দেখে তাকে পুনরায় খয়বর আলীর বাড়িতে ফিরিয়ে নেয়।
চিত্র: ভুক্তভোগী


সেখানে আবারও হত্যার হুমকি দিয়ে  সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক আমার বাবার স্বাক্ষর নেয় এবং ছবি তোলে। এরপর আমাদের বাড়িতে পাঠানোর উদ্দেশ্যে একটি অটোরিকশা ভাড়া করে দেয়। সোনাহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে আমার বাবার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা দ্রুত তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করি।
এটি থানায় অবগত করলে এনারা রোগীসহ পরের দিন আসতে বলেন।।
উপরোক্ত ঘটনায় আমার বাবা গুরুতরভাবে আহত হন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পিত অপহরণ, মারধর, হত্যাচেষ্টা ও জাল স্বাক্ষর আদায়ের শামিল।
উপরোক্ত ঘটনাগুলো আমরা সকলকে জানিয়েছি( গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে) এবং থানায়ও অবগত করা হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ